প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 26, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Mar 26, 2026 ইং
সখীপুরে ২ জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীকে ৫ দিনের কারাদণ্ড

সখীপুরে ২ জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীকে ৫ দিনের কারাদণ্ড
টাঙ্গাইলের সখীপুরে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে পাঁচদিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ ওই দুই ব্যবসায়ীকে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠিয়েছে। এর আগে গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুন নাহার শিলা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে মজুতকৃত ৫ হাজার ১৮০ লিটার জ্বালানি তেল (৩৫১৬ লিটার ডিজেল ও ১৬৬৪ লিটার পেট্রোল) জব্ধ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পৌরসভার মেসার্স পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান (৫০) ও জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর (৩৫)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুন নাহার শিলা অভিযানে বের হন। এ সময় মেসার্স পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে জানা যায়, মেঘনা ডিপো হতে ওই ফিলিং স্টেশনের অনুকূলে ৪ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও ৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল এসেছে। যা সরকার নির্ধারিত মূল্যে ওই ফিলিং স্টেশন থেকেই বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু ওই জ্বালানি তেল তারা ফিলিং স্টেশনে না রেখে মেসার্স জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজকে দিয়ে দেয়। জাহাঙ্গীর ওই জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা অধিক মূল্যে বিক্রি করে কিছু মজুত করে রাখেন।
অবৈধ মজুদে সহায়তার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমানকে পাঁচদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অন্যদিকে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রিসহ প্রভৃতি অপরাধে পৌরসভার উত্তরা মোড় এলাকার জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীরকে পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে জব্ধকৃত ৫ হাজার ১৮০ লিটার জ্বালানি তেল স্পট নিলামের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী সখীপুর ফিলিং স্টেশনে দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুন নাহার শিলা বলেন, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ডিপোর (মেঘনা) প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে জব্ধকৃত জ্বালানির পরিমাণ নির্ণয়, মূল্য নির্ণয় এবং স্পট নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বিক্রিত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমার দায়িত্বও উক্ত কমিটিকে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনের লাইসেন্স বাতিলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃdailyprogotiralo.com