
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড, গাছের চারা নিতে পেরে আনন্দে উদ্বেলিত জুলেখা আক্তার। তিনি টাঙ্গাইলের সুরুজ পূর্বপাড়া গ্রামে। তিনি শহীদ মারুষ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে অনুভূতিও প্রকাশ করেন দ্বিধাহীন চিত্তে। তিনি বলেন, আমি কৃষক কার্ড পেয়ে আনন্দিত। আমি এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষির প্রণোদনা, সার-বীজ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হওয়া, পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়া এমনকি ব্যাংকিং সুবিধাও গ্রহণ করতে পারবো।’ জুলেখার মতো নাসিমা খানম সুমনা, কবীর হোসেনসহ অনেকেরই একই অনুভূতি প্রকাশ করেন ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণস্থলে।
কবীর হোসেন বলেন, “বিএনপি সরকার দেমের স্বার্থে, কৃষকের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে কাজ করবে, এটা ধারণা ছিল। তবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পাব, উপহার পাবো তা কখনো কল্পনাও করিনি। তিনি তারেক রহমান ও তার সরকারের শুভকামনা করেন।
কৃষক আবু কায়সার বলেন, আগে আমাগরে মানুষ খাটো করে দেখতো। উপহাস করতে। অহন আমরা সরকারিভাবে পরিচায় পাইছি এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে। তারেক রহমান কৃষক কার্ড দেশবাসীর মন জয় করতে পারবেন। এই কার্ড দিয়ে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনাসহ নানা সুযোগ সুবিধা পাব।
কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশীদ জানান, কৃষক কার্ডের আওতায় প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা অন্তত ১০ ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সেগুলো হলো— ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিমা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা।