প্রিন্ট এর তারিখঃ May 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 2, 2026 ইং
বাংলাদেশের শ্রমিকেরা এখনো ন্যায্যমজুরি পায়না: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, মে দিবসের যে তাৎপর্য শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, এখনও কিন্তু আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি নাই। আমাদের শ্রমিকেরা এখনও ন্যায্যমজুরি পায়না। আমাদের সরকার এ নিয়ে কাজ করছে। আজ শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর তালতলা চত্বরে মে দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা শ্রমিক দল এ আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রার আয়োজন করে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে একটি দল থেকে বলা হয়েছিল, গার্মেন্টসে নারীদের পাঁচ ঘণ্টার বেশি কাজ করার দরকার নেই। এটা নিয়ে সারা বাংলাদেশে অনেক বড় প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। তখন আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছিলেন, পাঁচ ঘণ্টা কাজ করিয়ে যদি তাঁদের ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তো তাঁদের সংসার চলবে না। নারীদের এই অধিকার দিতে হবে, সংসারের সচ্ছলতার জন্যে তাঁরা ৮ ঘণ্টার পরও যদি কাজ করতে চায় করবে।
আহমেদ আযম খান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেকে নিজেই একজন শ্রমিক বলতেন। তিনি বঙ্গভবনে বসে না থেকে গেঞ্জি গায়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি হয়েও কৃষকের সঙ্গে কোদাল মেরেছেন। আজকে যিনি প্রধানমন্ত্রী তিনি সেই জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান, তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিশ্চিত করবার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সরকারের আমলে আমরা কোনো দুর্নীতিতে যাব না, কোনো টাকা পাচারে যাব না। যেসব শিল্প কারখানা আগের সরকারের আমলে বন্ধ হয়েছিল, আমরা সকল শিল্প কারখানা চালু করব। আর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এমন নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে চালু করে দিয়েছি যাতে করে আগামী বছর গড়াতে-না-গড়াতেই দৃশ্যমান হয় যে, দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে গেছে। আর তখনই বাংলাদেশের শ্রমিকেরা ন্যায্য পাওনা পেয়ে যাবে। আমরা সকল মালিকদের কাছ থেকে শ্রমিকদের ঘামের ফসল ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করব। শ্রমিক যখন তাঁর ন্যায্য পাওনা পেয়ে দাঁড়িয়ে যাবে, কৃষক যখন সচ্ছল হয়ে যাবে, দেশের শিল্প কারখানাগুলো যখন দাঁড়িয়ে যাবে, তখনই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি স্বনির্ভর দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
আলোচনা সভায় উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব আমীন শরীফ সুপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজাহান সাজু, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃdailyprogotiralo.com