
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ৩ নং যদুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তনের প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি অংশ বর্তমান ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।
স্থানীয় সমর্থকদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় থেকে শিক্ষার্থীদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইন। তার সততা, ন্যায়পরায়ণতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাকে স্থানীয়দের কাছে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
সমর্থকদের দাবি, “মানুষ গড়ার কারিগর” অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনকে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব দেওয়া হলে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবায় নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।‘আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই’।
চেয়ারম্যান পদে তাকে ঘিরে স্থানীয়দের আগ্রহের বিষয়ে অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইন বলেন, “আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছেন। আমার আর কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। জীবনের বাকি সময়টা আমার ইউনিয়নের গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে আছি। মানুষের সেবা করে এবং মানুষের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই, ইনশাআল্লাহ।”
তার এ বক্তব্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় সমর্থকরা। তাদের মতে, ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মানসিকতাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় গুণ।
স্থানীয়দের একটি অংশের মতে, একজন শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনকে মানুষের সমস্যা বুঝতে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে সহায়তা করবে।
সমর্থকদের ভাষায়, “যিনি সারাজীবন আমাদের আলোর পথ দেখিয়েছেন, এবার সুযোগ এসেছে তাঁর হাতে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার।”
তাদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের যেমন জ্ঞান ও নৈতিকতার আলোয় গড়ে তুলেছেন, তেমনি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পেলে যদুনাথপুর ইউনিয়নকে একটি সুশৃঙ্খল ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনের সমর্থকরা তার পক্ষে সুশাসন, ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা তুলে ধরছেন।তাদের প্রচারণায় বলা হচ্ছে—“পরিবর্তনের অঙ্গীকার—চেয়ারম্যান হবে জনতার।”
তারা অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনকে জনগণের আস্থার প্রতীক, জনগণের প্রিয়মুখ এবং একজন সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরছেন।অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন—দাবি সমর্থকদের সমর্থকদের দাবি, অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান ধরে রেখেছেন। কোনো অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার কারণে তিনি স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেছেন বলেও দাবি তাদের।
তাদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন।
সমর্থকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ (অনার্স) ও এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন বলে তার সমর্থকরা জানিয়েছেন।রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ পথচলা অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কেও তার সমর্থকরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করার পর ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। এরপর থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন।
তিনি ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে দলীয় সূত্র ও তার সমর্থকরা জানিয়েছেন।
যদুনাথপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি অংশের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনে যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব বেছে নেওয়া হোক।
অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনের সমর্থকদের বক্তব্য, “একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবই পড়ান না, তিনি মানুষ ও সমাজ গড়ার পথ দেখান। এবাদৎ স্যার সারাজীবন সেই দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার আমরা চাই, তিনি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের সেবা করার সুযোগ পান।”
স্থানীয়দের একাংশের প্রত্যাশা—পরিবর্তন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জনসেবার প্রত্যয় নিয়ে যদুনাথপুর ইউনিয়নের নেতৃত্বে অধ্যক্ষ ম. এবাদৎ হোসাইনকে দেখা যাবে।