ঢাকা | 28 September 2026

জাতিসংঘের পরিবর্তন ও পরিবর্তিত বাংলাদেশ

প্রগতির আলো ডেস্ক, .
নিউজ প্রকাশের তারিখ :Sep 28, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: ছবির ক্যাপশন:
ad728
ড. ফরিদুল আলম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হলো। শুরুতে সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতির (যিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী) বক্তব্য সবার নজর কেড়েছে।

অত্যন্ত সুন্দরভাবে তিনি ১৯৪৫ সালে সানফ্রানসিসকো চুক্তির মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে সময়ের বিবর্তনে এটির বর্তমান সংস্কারের গুরুত্বের দিকটিকে তুলে ধরেছেন। বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবদানকে যেমন ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছেন, একইভাবে সংস্থাটির কার্যকর প্রচেষ্টার অভাবে বৈশ্বিক শরণার্থী সংকট, এ ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়েও রোহিঙ্গা সংকটের অবসান না হওয়ায় বাংলাদেশের দুর্ভোগ এবং বর্তমান সময়ের বড় কিছু সংঘাতের দিকটিকেও উল্লেখ করেছেন। তিনি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে কিভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়মিতভাবে এর ভুক্তভোগী হচ্ছে, নেপালের দুর্যোগসহ কিছু বিষয় উল্লেখ করে এর প্রতিকারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সনদে বর্ণিত নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দেশগুলোর দায়িত্ব এবং এ ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদের আলোচনা এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে কিভাবে পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে, জাতিসংঘ সনদে এমনটি উল্লেখ থাকলেও সংকট সমাধান না হওয়ার পরিবর্তে এর প্রকটতায় নিজের হতাশার দিকটিকে তুলে ধরেন।

একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার মতো অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব না থাকাকেও তিনি সংস্থাটির একটি ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরেন। মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাঁর এই বক্তব্য শুভ সূচনার ইঙ্গিত দেয়। 

এবারের অধিবেশন ঘিরে অন্যান্যবারের তুলনায় মানুষের আগ্রহ একটু ভিন্ন রকমের। বেশ কিছু বছর ধরে বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের নানা রকম ব্যর্থতা তুলে ধরে এর প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়টি আলোচনায় ছিল।


ধারণা করা যায়, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে উপলক্ষ করে অনেক দেশই বিষয়টিকে তাদের আলোচনায় তুলে ধরবে। বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব যেখানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছিল, প্রতিষ্ঠার ৮১ বছর পর এসে দেখা গেল বৈশ্বিক বৃহত্তর সব সংঘাতেই কোনো না কোনোভাবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী কোনো সদস্য দেশের সম্পৃক্ততা রয়েছে। আর যেহেতু শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে জাতিসংঘের তরফ থেকে কোনো ভূমিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের সর্বসম্মত ঐকমত্য পূর্বশর্ত, সংগত কারণেই জাতিসংঘ এ ধরনের কোনো আগ্রাসি কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে কোনো ধরনের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না।

জাতিসংঘের পরিবর্তন ও পরিবর্তিত বাংলাদেশউপরোক্ত বাস্তবতার আলোকে তাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা।’ এর মধ্য দিয়ে এটিই প্রতিফলিত হয় যে জাতিসংঘের ওপর ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর আস্থার জায়গায় অনেকটা চিড় ধরেছে এবং এর মধ্য দিয়ে যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনগুলো ঘটেছে ও ক্রমাগতভাবে ঘটে যাচ্ছে, এগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে না পারলে এই বিশ্বকাঠামোটি ভেঙে পড়বে, যা মানবসভ্যতার জন্য অতীতের যেকোনো সময়ের জন্য সবচেয়ে বেশি বিপর্যয় ডেকে আনবে।

প্রতিবছর এই সময়টিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বনেতাদের মিলনমেলা বসে, যেখানে শতাধিক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান উপস্থিত হন। প্রাসঙ্গিকভাবেই মনে হতে পারে, বৈশ্বিক অনেক সমস্যার একটা সমাধান পাওয়ার একটা ক্ষেত্র হিসেবে বিশ্বনেতারা জাতিসংঘের শরণাপন্ন হন। আফসোফের বিষয় হচ্ছে, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যেসব বিষয় উত্থাপিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়ে থাকে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ওপর এর কার্যত কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় এবং সেই সঙ্গে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সাধারণ পরিষদের কোনো ক্ষমতা না থাকায় এটিকে নিছক একটি মিলনমেলা ছাড়া কিছুই বলার সুযোগ থাকে না।   
এবারের অধিবেশনেও যে এর খুব একটা ব্যত্যয় ঘটবে এমনটা মনে হচ্ছে না। ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনে ১৩০টির বেশি রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও যোগ দিচ্ছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বনেতারা। যদিও তাঁদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিরা এতে যোগ দেবেন, সময়ের বিবেচনায় তাঁদের নিজেদের যোগদান থেকে বিরত থাকা অনেক কিছুই ইঙ্গিত করে। অধিবেশন চলাকালে প্রেসিডেন্ট শির ওয়াশিংটনে নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় সফর এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হলেও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগদানের বিষয়টি এড়িয়ে চলার বিষয় থেকে সংস্থাটি নিয়ে চীনের তরফ থেকে এর গুরুত্বহীনতার দিকটিকেই ফুটিয়ে তোলে। একইভাবে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এতে যোগ দিলেও পুতিনের যোগ না দেওয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সামপ্রতিক বছরগুলোতে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে ক্রমাগতভাবে বিশ্বনেতাদের চাপ সৃষ্টি একদিকে পুতিনকে যেমন বিব্রত করে থাকতে পারে, অন্যদিকে এ নিয়ে পুতিনের অনিচ্ছার দিকটিকেও স্পষ্ট করে তোলে। মধ্যপ্রাচ্যের গাজা ও ইরান ইস্যু নিয়ে গত বছর জাতিসংঘের অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্য চলাকালে হট্টগোলের পরও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ভূমিকা পালন না করাও প্রভাবশালী এসব নেতাসহ অনেকের যোগদানকে নিরুৎসাহ করে থাকতে পারে।

এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ নানাভাবেই বিশ্বমঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ৪১ বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান এরই মধ্যে জাতিসংঘ নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরে যেমন আলোচিত হয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিন বছর পর বাংলাদেশের একজন রাজনৈতিক প্রধানমন্ত্রীর যোগদান এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন সরকারের অবস্থান, সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সফরে কিছু সাইডলাইন বৈঠক এবং জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের প্রেসিডেন্ট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট, ক্রোয়েশিয়ার সরকারপ্রধান এবং ইরানের প্রেসিডেন্টসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা একদিকে যেমন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনাকে তুলে ধরেছে, অন্যদিকে পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান এবং জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনের প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ কিভাবে নিজের অবস্থানকে চিত্রিত করতে চাইছে—এটির একটি রূপরেখা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে এবারের অধিবেশনে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গাবিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগদান জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবর্তনের ডাকের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের প্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা সংকট যেহেতু মিয়ানমার থেকে শুরু হয়েছে, এর সমাধানেও মিয়ানমারকেই দায় নিতে হবে। বিষয়টির প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব এবং ইইউসহ কমপক্ষে ১৫টি দেশ সমর্থন জানিয়েছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান জানিয়েছেন যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাজটি দ্রুত শুরু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন। এদিক দিয়ে বিবেচনা করলে এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংকটকে এবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব হয়েছে।

সাধারণ পরিষদের নবনিযুক্ত সভাপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে যে বিষয়গুলো উচ্চারিত হয়েছে, এর সঙ্গে বাংলাদেশের জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনে যোগদান এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে যে বিষয়গুলো উচ্চারিত হয়েছে, এর মধ্যে এক ধরনের সুসমন্বয় রয়েছে। সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ ছাড়াও খলিলুর রহমান বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন, সেই বিবেচনায় তাঁর বক্তব্য এককথায় বাংলাদেশের অবস্থানকেও তুলে ধরে। তার পরও সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমান এবার রোহিঙ্গা সংকটসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুশাসন নিশ্চিত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে যথার্থ ক্ষতিপূরণসহ বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট দূরীকরণে বিশ্বনেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন।

২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে এক অনন্য মাইলফলক গড়লেন। তিনি তাঁর বাবা ও মায়ের পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে সরকারপ্রধান হিসেবে বক্তব্য দিলেন। বৈশ্বিক সংকটকে উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে এসব সংকটে মারণাস্ত্রের ব্যবহারের পরিবর্তে পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে যুক্তি, তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতার চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ একে অপরের সার্বভৌমত্বের ওপর শ্রদ্ধাশীল থেকে একটি কল্যাণমুখী বিশ্বসমাজ দেখতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের প্রতি তিনি তাঁর পূর্ণ সমর্থনের বিষয়টি পূণর্ব্যক্ত করেন। বৈশ্বিক অভিবাসন প্রক্রিয়া মানবসভ্যতার মতোই প্রাচীন উল্লেখ করে এই বিষয়টি সম্মানের সঙ্গে দেখতে তিনি সবার প্রতি আহবান জানান। জনবহুল বাংলাদেশে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি এটি নিয়ে বিশ্বসমাজের দায়ের দিকটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে সংকটের পূর্ণ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বিশ্বসমাজের প্রতি আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। এই সফরে এবার তাঁর উপস্থিতিতে বোয়িং কম্পানির সঙ্গে এর আগে গত এপ্রিল মাসে ১৪টি উড়োজাহাজের অতিরিক্ত ১১টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন একটি ধারাও উন্মোচিত হলো। জ্বালানিসংকটসহ অন্যান্য বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত নৈশভোজে যোগদান ছাড়াও বিভিন্ন সাইডলাইন বৈঠকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অপরাপর দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে পুনর্মূল্যায়ন করার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা যায়। সবকিছু মিলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য একই ফোরামে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনার এক সুযোগ সৃষ্টি করে, যা বাংলাদেশ এবার অনেকটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

লেখক : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ