ঢাকা | 24 September 2026

সাহস দূরদর্শীতার অপর নাম ‘দৈনিক প্রগতির আলো’ ॥ প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, .
নিউজ প্রকাশের তারিখ :Sep 24, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: ছবির ক্যাপশন:
ad728
এম এ রাজ্জাক
স্টাফ রিপোর্টার, একাত্তর টেলিভিশন, টাঙ্গাইল

২৫ বছর পেরিয়ে ২৬ বছরে পদার্পণ করেছে টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র জগতের একসময়কার বহুল আলোচিত ও পরিচিত নাম দৈনিক প্রগতির আলো। ২০০১ সালের ২৭ জুলাই যাত্রা শুরু করা এই পত্রিকার পথচলা শুধু একটি সংবাদপত্রের প্রকাশনার ইতিহাস নয়, এটি সাহস, দূরদর্শিতা, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই এবং পাঠকের প্রতি দায়বদ্ধতার দীর্ঘ এক অধ্যায়।

দৈনিক প্রগতির আলোর সম্পাদক মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাৎ ইমরান। পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদকীয় কার্যালয় ছিল টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শহীদ স্মৃতি রোডে। ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সেখান থেকেই পত্রিকার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০০৭ সাল থেকে সম্পাদকীয় কার্যালয় স্থানান্তরিত হয় টাঙ্গাইল শহরের সাধারণ গ্রন্থাগার মার্কেট, নিরালার মোড়ে।

শুরু থেকেই দৈনিক প্রগতির আলো সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। এগিয়ে চলার চেষ্টা করেছে ভয়কে জয় করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রত্যয় নিয়ে। কারণ, একটি সংবাদপত্রের প্রকৃত শক্তি তার পাঠক, আর পাঠকের আস্থা অর্জনই একটি সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় অর্জন। তবে সেই পথ কখনোই মসৃণ ছিল না। একটি প্রতিবেদন, এরপর দীর্ঘ প্রতিকূলতার যাত্রা শুরু ২০১৭ সালের ২৩ এপ্রিল দৈনিক প্রগতির আলোতে টাঙ্গাইলের শিল্প ও বাণিজ্য মেলা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যতটা আমার মনে হয় প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল এমন ‘টাঙ্গাইলের শিল্প ও বাণিজ্য মেলা ॥ প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার লটারির টিকিট’। জুয়া ও লটারির বিরুদ্ধে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পরদিনই মেলা বন্ধ হয়ে যায়। 

সংবাদ প্রকাশের পর মেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায়। টাঙ্গাইলের সুবিধাপ্রাপ্ত কয়েকজন শীর্ষ সাংবাদিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন রাজনীতিক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্য ক্ষুব্ধ হন বলেও এমন অভিযোগ করে আসছে প্রগতির আলো কর্তৃপক্ষ। পত্রিকার পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, এরপর থেকেই দৈনিক প্রগতির আলো বন্ধের ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত হন সাংবাদিকনেতা, জেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি-সভাপতিসহ বিভিন্ন স্তরের সুবিধাভোগিরা। 

প্রথম ধাপেই পত্রিকার সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরানের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল করা হয় বলে পত্রিকার সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরানের নিকট থেকে জানা গেছে।

এরপর ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই দৈনিক প্রগতির আলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের কয়েজন কর্তাব্যাক্তি। অভিযোগের বিষয় ছিল, ‘জামায়াত-শিবিরের অর্থে প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রগতির আলো পত্রিকা ও প্রেসের ডিক্লারেশন বাতিল করার জন্য আবেদন।’

অভিযোগটি ছিল অত্যন্ত গুরুতর। তবে পত্রিকার পক্ষ থেকে শুরু থেকেই এখন পর্যন্তও এ অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছে। সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরানের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ছাত্রজীবনে ঘাটাইলের জিবিজি সরকারি কলেজের সহ-সাহিত্য সম্পাদক পদে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাংবাদিকতায় যুক্ত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়।

তদন্ত প্রতিবেদন থেকে ডিক্লারেশন বাতিল
অভিযোগের পর তদন্ত শুরু হয়। পত্রিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৭ সালের ১৭ আগস্ট পুলিশ সুপার বরাবর জমা দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবিরের প্রতিবেদনে অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

তবে পরবর্তীতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের শীর্ষ নেতারাসহ আটজন প্রভাবশালী সাংবাদিক এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তন করেন, এমন অভিযোগ করে আসছে দৈনিক প্রগতির আলো কর্তৃপক্ষ।

পত্রিকার পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত পরিবর্তিত প্রতিবেদন ২০১৮ সালের ১২ মার্চ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইলের কাছে জমা দেওয়া হয়।

এর এক মাস পর, ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন দৈনিক প্রগতির আলোর ডিক্লারেশন বাতিল করেন।

বাতিলের আদেশে ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইনের ২০(১)(ঙ)(i) ধারা উল্লেখ করা হয়। তবে পত্রিকার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, উল্লিখিত ধারার এমন কোনো অস্তিত্ব বাংলাদেশ গেজেট, বাংলাদেশ কোড বা প্রচলিত আইনে নেই।

ডিক্লারেশন বাতিলের কারণ হিসেবে দেখানো হয়, দৈনিক প্রগতির আলোর সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরান জামায়াত-ইসলামী মনোভাবাপন্ন হওয়ায় পত্রিকার প্রকাশনা অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

একটি সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত, তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তনের অভিযোগ এবং শেষ পর্যন্ত ডিক্লারেশন বাতিল সব মিলিয়ে সময়টি প্রগতির আলোর জন্য হয়ে ওঠে এক কঠিন পরীক্ষা।

প্রেস কাউন্সিল থেকে আদালত-আইনি লড়াই
ডিক্লারেশন বাতিলের আদেশে ক্ষুব্ধ হয়ে দৈনিক প্রগতির আলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে আপিল করা হয়। চার দফা শুনানি শেষে বিচারপতি মমতাজ উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন প্রেস অ্যাপিলেট বোর্ডের সদস্যরা একমত হয়ে দৈনিক প্রগতির আলো পুনঃপ্রকাশের অনুমতি দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইলকে নির্দেশ দেন।

ওই নির্দেশনা অনুসারে তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল মো. শহীদুল ইসলাম ১২ মার্চ পত্রিকা প্রকাশের অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করেন। তবে পত্রিকার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অনুমতিপত্রটি ১৫ দিন পর রাতে সরবরাহ করা হয়েছিল। পরদিন সকালেই পুনরায় দৈনিক প্রগতির আলো পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ রাখার আদেশ জারি করেন তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রেস কাউন্সিলের নির্দেশনার আলোকে।

এরই মধ্যে অভিযোগকারী ইফতেখারুল অনুপম প্রেস কাউন্সিলে রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন বলে সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরান জানান। পত্রিকার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম বিচারপতি মমতাজ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রিভিউকারীর মাধ্যমে একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে দৈনিক প্রগতির আলোর ডিক্লারেশন বাতিলের অনুরোধ জানান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন তাঁর দেওয়া রায় স্থগিত করে দৈনিক প্রগতির আলোর ডিক্লারেশন বাতিলের আদেশ বহাল রাখেন।

কিন্তু এখানেই শেষ হয়নি লড়াই। বন্ধ দরজার ওপাশে আবার জ্বলে ওঠে আলো দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী দৈনিক প্রগতির আলোর পক্ষে রিট করেন। ২০২৫ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদ্বয় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ডিক্লারেশন বাতিলের আদেশ স্থগিত করে দৈনিক প্রগতির আলো প্রকাশের বাধা দূর করেন। এরপর থেকেই দৈনিক প্রগতির আলোর নিয়মিত প্রকাশনা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের যৌথব্যাঞ্চ রায়ের মাধ্যমে প্রগতির আলো পত্রিকার আইনি জটিলতার অবসান ঘটে। 

একটি সংবাদপত্রের জন্য এর চেয়ে বড় অর্জন আর কী বা হতে পারে। যে পত্রিকাকে একসময় বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ, সেই পত্রিকাই আবার আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক লড়াই হতে না হতেই পাঠকের হাতে ফিরে এসেছে। দীর্ঘ আইনি লড়াই, প্রশাসনিক জটিলতা, নানা প্রতিকূলতা এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পেরিয়ে প্রগতির আলোর এই ফিরে আসা তার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

দৈনিক প্রগতির আলো পাঠকপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনে অনেক সংবাদকর্মীর অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পত্রিকার সম্পাদক। বিভিন্ন সময়ে সংবাদ, তথ্য, পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে পত্রিকাটিকে সমৃদ্ধ করেছেন রেজওয়ান শরীফ, কবীর হোসেন (দেশ টিভি), সোহেল তালুকদার (ডিবিসি), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (আরটিভি), মাসুদ রানা (চ্যানেল ২৪), জে সাহা জয় (বিটিভি), কাওছার আহমেদ (এখন টিভি), শোভন দাস (এখন টিভি), অভিজিৎ ঘোষ (দেশ টিভি), মোজাম্মেল হক (একুশের বাণী), আবু জুবায়ের উজ্জল (বিজয় টিভি ও আগামীর সময়), মেহেদী হাসান মৃদুল (আনন্দ টিভি), মুক্তার হাসানসহ আরও অনেকে।

এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের অনেক স্বনামধন্য প্রতিনিধি বিভিন্ন সময়ে প্রগতির আলোকে সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের মাঠপর্যায়ের সংবাদ, মানুষের কথা এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে পাঠকদের সংযোগ তৈরি করেছে।

বিশেষভাবে পরামর্শ, সংবাদ সংগ্রহ ও সম্পাদনার কাজে সহযোগিতা করেছেন মাহমুদ কামাল, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, ভূঞাপুরের মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকেই। তাঁদের অভিজ্ঞতা, পরামর্শ ও আন্তরিক সহযোগিতায় পত্রিকার পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে এই পত্রিকার সম্পাদকের সাথে আলাপকালে বারবার তাদের নাম উল্লেখ করেন।

২৫ বছর শেষে নতুন প্রত্যয়
একটি সংবাদপত্রের বয়স শুধু ক্যালেন্ডারের পাতায় হিসাব করা যায় না। একটি পত্রিকার প্রকৃত বয়স নির্ধারিত হয় কতটা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সে টিকে আছে, কতটা সাহস নিয়ে সত্য প্রকাশ করেছে এবং পাঠকের কতটা আস্থা অর্জন করতে পেরেছে ঠিক তার ভিত্তিতে।

দৈনিক প্রগতির আলোর ২৫ বছরের পথচলায় যেমন রয়েছে সাফল্য, তেমনি রয়েছে নানা প্রতিকূলতা, সংকট ও কঠিন সময়। রয়েছে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ, রয়েছে আরও ভালো সাংবাদিকতার প্রত্যয়। তবে সবচেয়ে তাদের বড় অর্জন আমার কাছে মনে হয়েছে এতো কিছুর পরেও এখনো তাদের টিকে থাকার দৃঢ়তা।

জুয়া ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর মেলা বন্ধ হওয়া, এরপর পত্রিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত, ডিক্লারেশন বাতিল, দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত আদালতের মাধ্যমে প্রকাশনার বাধা দূর হওয়া, এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ একটি বিষয়ই মনে করিয়ে দেয়, সাংবাদিকতার পথ কখনোই সহজ নয়।

তবুও কলম থেমে থাকেনি। থেমে থাকেনি সত্য তুলে ধরার চেষ্টা। প্রতিকূলতা এসেছে, কখনো পথ রুদ্ধ হয়েছে, কিন্তু আবারও পথ খুলেছে। বন্ধ দরজার ওপাশে আবার জ্বলে উঠেছে প্রগতির আলো। এই পথচলায় টিআইবি’র ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ডসহ বেশ কিছু স্বীকৃতিও পেয়েছে পত্রিকার সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা।

দূরদর্শিতা, সাহস, ভয়কে জয় করার মানসিকতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রত্যয়কে সামনে রেখে দৈনিক প্রগতির আলো ২৬তম বছরে পদার্পণ করেছে। এই নতুন বছরে পত্রিকাটি আরও দায়িত্বশীল, আরও সাহসী এবং আরও জনবান্ধব সাংবাদিকতার পথে এগিয়ে যাবে এটাই আমার আর পাঠকদের প্রত্যাশা।

কারণ সংবাদপত্র শুধু কাগজে ছাপা কিছু খবরের সমষ্টি নয়। সংবাদপত্র সময়ের সাক্ষী, সমাজের দর্পণ এবং মানুষের কথা বলার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই দৈনিক প্রগতির আলো আগামী দিনেও সত্য, ন্যায় ও মানুষের অধিকারের পক্ষে তার কলম আরও শক্তিশালী করবে এবং করতেই হবে এই প্রত্যাশা আমাদের সবার।

২৫ বছর পেরিয়ে ২৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দৈনিক প্রগতির আলো পরিবারকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। দৈনিক প্রগতির আলোর পথচলা আরও দীর্ঘ হোক, আরও সমৃদ্ধ হোক, আর তার আলো ছড়িয়ে পড়ুক টাঙ্গাইলের সীমানা পেড়িয়ে দেশজুড়ে প্রতিটি প্রান্তের মানুষের হৃদয়ে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ