শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে ত্রিশাল বাজারের ব্যবসায়ীদের এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, উপজেলার পাঁচ থেকে সাতটি স্ট্যান্ড ইজারা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা আদায়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। এর ফলে পুরো ত্রিশালে চাঁদাবাজি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাঁর দাবি, ইজারার অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্ট্যান্ডগুলো ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী ডিসেম্বর থেকে আর কোনো স্ট্যান্ড ইজারা না দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে পরিবহনশ্রমিক ও চালকদের ওপর আর্থিক চাপ কমবে এবং স্ট্যান্ড পরিচালনায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।
সংসদ সদস্যের ভাষ্য অনুযায়ী, স্ট্যান্ডে যানবাহনের লাইন ব্যবস্থাপনা কীভাবে পরিচালিত হবে, তা চালকেরা নিজেরাই ঠিক করবেন। এ ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ থাকবে না। পাশাপাশি স্ট্যান্ডকেন্দ্রিক অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধে কঠোর নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অবৈধ অর্থ আদায় এবং স্ট্যান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে চালকদের ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইজারা বন্ধের এই ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে পরিবহনশ্রমিকদের ব্যয় কমানো এবং স্ট্যান্ড ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তবে ঘোষণার কার্যকারিতা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সমন্বয়, বিকল্প ব্যবস্থাপনাপদ্ধতি নির্ধারণ এবং আইনসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ত্রিশালের পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।