ঢাকা | 30 November 2025

ভূঞাপুর উপজেলার বিদ্যুৎ সমস্যা নিয়ে আলোচনা সভা

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি, .
নিউজ প্রকাশের তারিখ :Nov 29, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ছবির ক্যাপশন:
ad728

ভূঞাপুর  বিদ্যুৎ অফিসের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে বিদ্যুৎ সমস্যা নিয়ে  এক আলোচনা সভা করা হয়। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুব হাসান যোগদানের পর থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি শনিবার দিন ব্যাপী বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সাথে দেখছেন। 

গতকার শনিবার আলোচনা সভায়, ভূঞাপুর উপজেলার বিদ্যুৎ সমস্যা নিঃসন্দেহে পীড়াদায়ক। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ এর কারণ হিসেবে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলকে উল্লেখ করেছেন। এটি সমাধানে সরকারি ও বেসরকারী গ্রাহকদের সময়মতো বিল পরিশোধ করা অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় সরকারি ও বেসরকারি গ্রাহক পর্যায়ে প্রায় ৪ কোটি টাকার কাছাকাছি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে।   

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে জানান, “ভূঞাপুর উপজেলার বিদ্যুৎ সমস্যা নিঃসন্দেহে পীড়াদায়ক, তবে এর সমাধান সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ওপর নির্ভরশীল। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে সরকারি ও বেসরকারি গ্রাহক পর্যায়ে  প্রায় চার কোটি টাকার কাছাকাছি  বিদ্যুৎ বিল এখনো বকেয়া রয়েছে। উন্নত সেবা চাই, কিন্তু সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা দপ্তরের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সেবার মান বজায় রাখতে প্রত্যেকের বকেয়া বিল দ্রুত পরিশোধ করা অত্যন্ত জরুরি।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনায় জানা গেছে শনিবারের জরুরি মেইনটেন্যান্স কাজ ও অতিরিক্ত সাপ্লাই ডিমান্ডের চাপে নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তবে তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে দ্রুতগতিতে সমস্যা সমাধানের কাজ চলছে। বিষয় টি  বিবেচনায় নিয়ে তারা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। শনিবার সারা দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট থাকবে না।  ক্লাস্টারভিত্তিক সময়সূচি তৈরির মাধ্যমে স্বস্তিদায়ক সমাধান দেওয়া হবে। ফলে শনিবারের বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিবর্তন আনবে। খুব দ্রুত এটির উল্লেখযোগ্য ও গুণগত পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।
এ ছাড়া মাটিকাটা, সিরাজকান্দি বিদ্যুৎ লাইন আগামী জুনের কাছাকাছি সময়ে চালু হলে গোবিন্দাসীর কিছু অংশ, নিকরাইল ও সেতু সংলগ্ন এলাকাসহ ভূঞাপুরের বিদ্যুৎ ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
এ মুহূর্তে প্রয়োজন ধৈর্য, সহযোগিতা এবং ইতিবাচক মনোভাব। সংকট কখনোই শেষ কথা নয়। দায়িত্ব ও একতার শক্তিই সব বাধা অতিক্রমের পথ দেখায়। সময়মতো বিল পরিশোধ করা গেলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জন্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সহজ হবে।  খুব শিগগিরই আরো স্থিতিশীল, আলোকিত ও উন্নত ভূঞাপুর বাস্তবতা হয়ে উঠবে।” 



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ