ঢাকা | 13 May 2026

মির্জাপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিক্ষোভ মানববন্ধন

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি, .
নিউজ প্রকাশের তারিখ :May 13, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: ছবির ক্যাপশন:
ad728
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান দায়সারা বলে অভিযোগ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।

 মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে ধান পুড়ে যাওয়া শতাধিক কৃষক এই অভিযোগ করেন।

 জানা গেছে, উপজেলার গোড়াই ও বহুরিয়া ইউনিয়নের ৬টি গ্রামে আবাদী জমির মধ্যে পাশাপাশি ২০ থেকে ২৫টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে। ওইসব ইটভাটার চারপাশেই এফবিসি, আরইউবি, আল হাদি ব্রিকসের ইট পোড়া বন্ধ করা হয়। এসব ভাটার বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে কোট বহুরিয়া, বহুরিয়া চড়পাড়া, বুধিরপাড়া, মন্দিরাপাড়া, সরিষাদাইড় এবং পাহাড়পুর গ্রামে কয়েকটি প্রজেক্টের আওতায় দেয় হাজার একর বোরো ধান আবাদ করা হয়। এরমধ্যে ৬টি গ্রামের ৫ থেকে ৬শত একর জমির বোরো ধান ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে পুড়ে যায়। গত ৩০ এপ্রিল ওইসব গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত দুই শতাধিক কৃষক ক্ষতিপূরণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেন। পরে ইউএনও খান সালমান হাবীব তার অফিস থেকে নিচে এসে কৃষকদের উদ্দেশে বক্তৃতা করেন এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেন। এছাড়া কৃষকদের ধান ক্ষতি হওয়ার বিষয়ে কৃষি অফিসার মাহমুদা খাতুনকে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করার নির্দেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার ৭ মে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন তিনটি ইটভাটায়। এসময় ইটভাটায় কাউকে না পেয়ে জরিমানা বা কোন ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বহুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আলহাজ হোসাইন অভিযোগ করে বলেন, কয়েকটি ইটভাটায় দায়সারা অভিযান করে প্রশাসন। ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও কৃষকরা তাদের ক্ষতিপূরণ পায়নি। এক সপ্তাহের মধ্যে ক্ষতিপূরণ না পেলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে। এব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবীব বলেন, আপনারা জানেন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে অবশ্যই দোষী বা অপরাধীকে ঘটনাস্থলে পেতে হয়। যেহেতু কাউকে পাওয়া যায়নি তাই কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। এর পরেও ইটভাটায় যাওয়া হয়েছিলো সেদিনও কাউকে পাওয়া যায়নি। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কৃষকরা তাদের ক্ষতিপূরণ পাবে। যদি ওই ইটভাটাগুলোর বৈধ কাগজপত্র না থাকে তাহলে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ