টাঙ্গাইলের মধুপুরে ক্যানসারে আক্রান্ত বাবা মো. হোসেন আলীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন ছেলে মো. রনি মিয়া। বাবার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে ইতোমধ্যে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হোসেন আলীর কান দিয়ে পানি ও পুঁজ বের হতো। এ অবস্থায় গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তাঁর কানের অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় কানের ভেতর থেকে মাংস কেটে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে বায়োপসি রিপোর্টে ক্যানসার ধরা পড়ে। পরে ৭ সেপ্টেম্বর ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে তাঁকে ২১ দিন পরপর মোট ছয়টি কেমোথেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অস্ত্রোপচারের ক্ষতস্থান শুকানোর জন্য সাতটি ইনজেকশন নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ইতোমধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর, ২৮ সেপ্টেম্বর ও ১৯ অক্টোবর তিনটি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৯ নভেম্বর চতুর্থ কেমোথেরাপি দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিবার কেমোথেরাপি, হাসপাতালের খরচ, পরীক্ষা নিরীক্ষা ও ওষুধ বাবদ প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা প্রয়োজন হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিটি ইনজেকশনের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা।
রনি মিয়া জানান, গত আড়াই মাসে বাবার চিকিৎসায় দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। নিজেদের জমানো টাকা, আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতা ও ঋণ করে এতদিন চিকিৎসা চালিয়ে আসছেন তাঁরা। তাঁদের বাড়িভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা নেই। বাবা গ্রামের বাজারে ছোট একটি জুতার দোকান পরিচালনা করেন। অন্যদিকে তিনি নিজে গাজীপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।