স্থানীয় জানান, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। নতুন ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চালুর ফলে এসব সমস্যার অনেকটাই লাঘব হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে বর্জ্য পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণের পথও উন্মুক্ত হবে।
পৌর প্রশাসক মো. রাজিব হোসেন জানান, পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার জন্য সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এই ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চালুর ফলে পৌর এলাকার সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য পরিবেশসম্মত উপায়ে অপসারণ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, এখন থেকে কোনোভাবেই বাসা-বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের লাইন ড্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে না, কারণ এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। পৌরবাসী মাত্র ১৫০০ টাকায় এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, “এ ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন পৌরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এলোমেলোভাবে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমবে এবং শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষা পাবে। আমরা ভূঞাপুরকে একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
এ সময় ভূঞাপুর পৌরসভার প্রকৌশলী মো. শাজাহান কবির, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদিনসহ পৌরসভা ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পৌরবাসীর প্রত্যাশা, ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি সঠিকভাবে পরিচালিত হলে ভূঞাপুর পৌরসভা একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর হিসেবে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হবে।