দোকান মালিক খোদেজা বেগম জানান, জাগিরাচালা বাজারে প্রতিদিনের ন্যায় দোকান রাতে বন্ধ করে দোকানে তার ছেলে শোয়াইব ও তার ভাতিজা এনামুল ইসলাম পাহারায় দোকানে ঘুমিয়ে থাকেন। হঠাৎ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) গভীর রাতে দোকান ঘরের সাথে রশি বেধে ট্রাকের সাথে আটকিয়ে টেনে নিয়ে ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে এসময় দোকান ঘরের ভিতরে শুয়ে থাকা ওই দুই জন দ্রæত বেড়িয়ে যান জীবন বাঁচাতে দৌড়ে বাইরে বের হন। এসময় বাইরে ঘরের সামনে স্থানীয় প্রভাবশালী আব্দুল জলিল দুলালসহ আরো লোকজন কে দেখতে পান। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে তারা দৌড়ে পালিয়ে যান। তবে প্রভাবশালী আব্দুল জলিল দুলাল তার বাহিনী নিয়ে এই হামলা চালিয়ে দোকান ভাংচুর করিয়েছেন বলে দাবী ঘর মালিক খোদেজা বেগমের। এছাড়াও খোদেজা বেগম আরোও অভিযোগ করে বলেন, শনিবার (১০অক্টোবর) সকালে এঘটনা কে কেন্দ্র করে দুলাল ও তার ছেলে সেলিম শালা ইসরাফিল সহ তার দলবল নিয়ে হামলা করে আমার ছেলে সোয়াইব ও কাওছার কে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। তারা বর্তমানে হাসতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
দোকানে থাকা শোয়াইব ও এনামুল ইসলাম জানান, রাতে আমরা দুই ভাই দোকানে ঘুমিয়েছিলাম। গভীর রাতে হঠাৎ ঘরের একটি খুটি ভেঙ্গে আমাদের উপরে পড়ে তখন জেগে যাই। জীবন বাঁচাতে বাইরে এসে এ ঘটনায় দ্রুত জরুরী জাতীয় সেবা সেন্টারের ৯৯৯ নাম্বারে কল করে থানা পুলিশ কে ঘটনাস্থলে আসার জন্য সহযোগীতা চাইলেও তারা আসেনি। ঘর ভাংচুর সহ অপরাধীদের দ্রæত খুজে বের করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সরকারের কাছে জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এঘটনায় বিবাদী আব্দুল জলিল দুলাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার জমিতে খোদেজা জোর পূর্বক ঘর নির্মাণ করে বেদখল করে রেখেছে। তাদেরকে বারবার ঘর সরিয়ে জায়গা খালি করে দিতে বলা হলেও তারা বেদখল করে রেখেছে। আমি টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করেছি। এখন তারা নিজেরাই নিজেদের দোকান ভাংচুর করে আমার ও আমাদের লোকজনের উপরে দোষারোপ করছেন।