জয়নাল আবেদীন
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌরশহরের সেই জীর্ন বৈরাণ সেতু পরিদর্শন করে গেলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ শুক্রবার সকালে তিনি সেঁতুর দুর্দশা স্বচক্ষে দেখার জন্য টাঙ্গাইল হয়ে গোপালপুর পৌরশহরের হাট বৈরান মহল্লার বৈরান নদের উভয় পাড় ঘুরে দেখেন।
এ সময়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল -০২ ( গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের এমপি এবং সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী এভভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডিরনির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামুজ্জামান, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নবাব আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, বিএনপির সম্পাদক কাজী লিয়াকত, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং শিক্ষক নেতা আমিনুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান, সম্পাদক চাঁন মিয়া, যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার লেলিন প্রমুখ। সরেজমিন পরিদর্শনের সময় এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী দেখতে পান বৈরাণ সেঁতুর, পাটাতনে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিম, উইংওয়াল ও অ্যাবাটমেন্টে ফাটল ধরেছে। ব্রজিটি যে কোন সময়ে নদে ধ্বসে পড়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, পত্রপত্রিকার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈরাণ নদের হাটবৈরাণ সেঁতুর দুর্দশা সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার এ জনদুর্ভোগের অবসান ঘটানোর জন্য তাকে এখানে পাঠিয়েছেন। এবার খুব দ্রুতই এলাকাবাসির দুভোর্গের অবসান হবে। এখানকার সেঁতু নির্মাণে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে অর্ধকিলোমিটার সংযোগ সড়ক পাঁকা হবে। এ দেড় মাসের মধ্যে ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি গাড়ার বৈরাণ ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এ সময়ে তিনি আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে কেমন উন্নয়ন হয়েছে জীর্ন বৈরাণ সেঁতু তার প্রমাণ। মাত্র দেড় মাসের মাথায় সরকার দেশব্যাপি খাল খনন সহ বহু ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি যা প্রতিশ্রুতি দেয় তা রক্ষা করে। তিনি ইন্টারিম সরকারের আমলে করা কিছু বিধিনিষেধের কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে একটু দেরি হচ্ছে। সংসদে কিছু আইন পাশ হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত দেয়া হবে।
পরে তিনি হাট বৈরাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন।