টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পাওয়া গেছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মনসুর ধুল্যা এলাকায় মহাসড়কের পাশে এসব ওষুধ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সকালে মহাসড়কের পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বেশ কিছু ওষুধের প্যাকেট তাদের নজরে আসে। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, সেগুলোর কয়েকটি মেয়াদোত্তীর্ণ। তবে এসব ওষুধ কোথা থেকে এসেছে কিংবা কে বা কারা সেখানে ফেলে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনেক সময় রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগ করেন। এর মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এভাবে সড়কের পাশে ফেলে রাখার ঘটনা ওষুধের সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, এসব ওষুধের উৎস শনাক্ত করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যত্রতত্র ফেলে দিলে পরিবেশের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে শিশু ও পথচারীদের কেউ এসব ওষুধ স্পর্শ বা ভুল করে ব্যবহার করলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের হাসপাতালে কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নেই। মহাসড়কের পাশে কারা এসব ওষুধ ফেলে গেছে, সে বিষয়েও আমি অবগত নই। তবে বিষয়টি জানার পর হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছি এবং খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, এর আগে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগের ঘটনা সামনে আসে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পড়ে থাকার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব ওষুধের উৎস, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং ফেলে দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।