হেমন্তকালে হালকা শীতের আগমনীতে শীতকে স্বাগতম জানিয়ে টাঙ্গাইল ফোরটি আপ ব্রাদার্স ক্লাব সবুজ আর হলুদের জার্সিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছে।
শনিবার(৮ নভেম্বর) ভোরের সূর্য উঠার সাথে সাথে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জুয়েল খান একাদশ(সবুজ) এবং আরিফ আকন্দ(হলুদ) এর প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ন প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি (১-১) গোলে ড্র হয়।
খেলার শুরু থেকে আরিফ আকন্দ, টিপু, হাবিব, আলিম, সংগ্রাম, ডাক্তার হায়দার ও হাবীবের সমন্বয়ে গোছানো ফুটবল খেলায় সবুজ দলের রক্ষণভাগ খেলার সিংহভাগ সময় চাপ অব্যাহত থাকে। সবুজ দলের আলহাজ, হালিম ও হাজী সোহেল সমন্বয়ে রক্ষণসেনারা হলুদ দলের আক্রমনের ভাগে চাপে দিশেহারা কারণে সবুজ দলের মধ্যমাঠ ও আক্রমন ভাগ পুরোপুরি নিক্রিয় থাকে।
হলুদ দল একচেটিয়া আক্রমন করে খেলেও দক্ষ স্টাইকারের অভাব এবং সবুজ দলের দক্ষ গোলরক্ষক সুব্রত ধরের অকল্পনীয় দক্ষতায় হলুদ দল গোল করতে ব্যর্থ হয়।
উল্টো খেলার প্রথমার্ধের শেষ সময়ে মধ্যমাঠ থেকে সবুজ দলের রক্ষনসেনা আলহাজের দূরন্ত ফ্রী কিক হলুদ দলের ডিবক্সে পড়লে সুযোগসন্ধানী আরিফ টোকা দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে (১-০) সবুজ দল এগিয়ে নেয়।
দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় হলুদ দল গোল পরিশোধের জন্য একচেটিয়া আক্রমন করে খেলতে থাকে। সবুজ দল জুয়েল খান, অনুপম, তোরাব আলী ও শিমুল খানের পাল্টা আক্রমনে দ্ইু বার গোল করার সুযোগ নষ্ট করে।
খেলার শেষ মুহুর্তে হলুদ দল গোল করে খেলায় সমতা আনার সুযোগ পায়। গোছানো আক্রমনে সবুজ দলের ডিবক্সে জটলায় ডাক্তার হায়দার আলী বল পেয়ে ফাঁকায় দাঁড়ানো মঈনকে পাস দিলে, মঈন গোলরক্ষক সুব্রত ধরকে পরাস্ত করে গোল করে(১-১)
এরপর খেলার বাকী সময় কোন পক্ষই গোল করতে পারেনি। তবে খেলায় দু’দলের খেলোয়াড়দের ধাক্কাধাক্কি ও ফাউল করে খেলার প্রবনতা রেফারী স্বপন শক্ত হাতে দূর করতে পারেনি। খেলাশেষে সবুজ দলের স্টাইকার ইমতিয়াজের আমন্ত্রণে দু’দলের খেলোয়াড় ও অতিথিরা ভারী ভোজে অংশগ্রহন করেন।