পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঢাকামুখী কর্মস্থলে ফেরা মানুষের উপচেপড়া ভিড়। ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া আন্ত:নগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসের প্রত্যেকটি বগিতে লোকে-লোকারণ্য। ট্রেনের নামাজখানা, ইঞ্জিন ও বিপদজ্জনক পাওয়ারকারেও যাত্রী উঠতে দেখা যায়। দু’ট্রেনের জয়েন্টেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী উঠতে দেখা যায়। বছরের পরপর লোকশানে থাকা ট্রেন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুমতেহিনা ফেরদৌসী। তিনি বলেন, সরকার বলে লোকশান। ট্রেনের টিকেট, বসার ঠাঁই নেই। টিকেট করেও দাঁড়িয়ে যাচ্ছি। রোববার ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া মহুয়া কমিউটার ও বলাকা কমিউটারেও ছিলো উপচেপড়া যাত্রীদের ভিড়। গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের মুখুরিয়া গ্রামের আয়েশা আক্তার (৪০) জানান, স্বামী-সন্তান নিয়ে ঈদে বাড়ি আসছিলেন। আসতেও ভাড়া দ্বিগুণ দিতে হয়েছে। এখন যাচ্ছি ট্রেনে টিকেট নেই। শুধু, উন্নয়ন উন্নয়ন, গরীবের কোথাও উন্নয়ন দেখছি না। তার সাথে সুর মিলিয়ে আব্দুস সামাদ বলেন, ছাদে উঠছি কি পারতে! মরনের ভয় আছে, জীবনটাও তো বাঁচাতে হবে। তাই ট্রেনে জায়গা না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠছি।