ভাঙনরোধে বংশাই-ধলেশ্বরী নদীতীরবর্তী ফতেপুর পশ্চিমপাড়া, চাকলেশ্বর, গোড়াইল মৃধাপাড়া, থলপাড়া কবরস্থান ও পাটদিঘীতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই-ধলেশ্বরী নদীতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে নদীর ৬টি স্পটে তাৎক্ষণিকভাবে ৪০ হাজারের বেশি জিও ব্যাগ ও সাড়ে ৫ হাজার টিউব ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। আজ শনিবার এ কাজের তদারকি করতে এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
তিনি বংশাই নদীর তীরবর্তী ভাঙনকবলিত বংশাই স্যালুঘাট, সওদাগরপাড়া ও বাওয়ার কুমারজানি এলাকাও পরিদর্শন করেন।
কুড়িগ্রামে নদীর পানি কমে বেড়েছে ভাঙন, তিন দিনে অর্ধশতাধিক পরিবার বাস্তুহারাকুড়িগ্রামে নদীর পানি কমে বেড়েছে ভাঙন, তিন দিনে অর্ধশতাধিক পরিবার বাস্তুহারা
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সালাউদ্দিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রান্ত পন্ডিত বলেন, আপাতত বংশাই-ধলেশ্বরী নদীতীরবর্তী ফতেপুর পশ্চিমপাড়া, চাকলেশ্বর, গোড়াইল মৃধাপাড়া, থলপাড়া কবরস্থান ও পাটদিঘীতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। প্রতিটি স্পটের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে এই জিও ব্যাগগুলো ফেলা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্য স্পটগুলোতেও জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু হবে।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেন, সমস্যার তুলনায় এই উদ্যোগ সামান্য। নির্বাচনী ওয়াদা মোতাবেক ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষার প্রাথমিক কাজ শুরু করেছি। ভবিষ্যতে ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
এদিকে ভাঙন শঙ্কায় সময় পার করলেও ব্যাপক পরিমাণে জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগে তারা আশান্বিত নদীতীরবর্তী সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, ভাঙনরোধে ভবিষ্যতে যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এ সমস্যার টেকসই সমাধান করা হয়