ছবির ক্যাপশন:
ময়মনসিংহের ভালুকায় বকেয়া বেতন ভাতার দাবীতে বৃহস্পতিবার রাতে কারখানা শ্রমিকরা গেইটের সামনে বিক্ষোভ করে অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ -৫ ময়মনসিংহের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শ্রমিকরা জানায়, ভালুকা উপজেলার কাঁঠালী গ্রামে অবস্থিত আশিক কম্পোজিট লিমিটেড এর শ্রমিকদের গত জুলাই ও আগষ্ট মাসের বকেয়া বেতন ভাতা বকেয়া রয়েছে। বার বার তারিখ দিয়েও বেতন পরিশোধ না করায় বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে মিল গেইটের সামনে বিক্ষোভ করে অবস্থান নেয়। শ্রমিকদের অভিযোগ গত ৩১ আগষ্ট গত জুলাই মাসের বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ ব্যর্থ হয়। ফলে শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিলে তারা কর্ম বিরতি পালন করে। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে ( ৩ সেপ্টেম্বর) তাদের বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে শ্রমিকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নেয় । প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ না করায় সন্ধ্যা ৭ টা থেকে শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করে। তবে শিল্প পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিটের তৎপরতায় আগে থেকেই শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। পরে রাত ১০ টার দিকে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা চালালে শিল্প পুলিশ -৫ ময়মনসিংহের পুলিশ সদস্যরা তৎপরতা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় । পরে রাতেই শিল্প পুলিশ, কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত হয় গত জুলাই /২৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর এবং গত আগষ্ট /২৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতা আগামী ১৭ আগষ্ট পরিশোধ করা হবে। শ্রমিকরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে রাতের শিফটের শ্রমিকরা কাজে যোগদান করে । রাত প্রায় ১২ টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এ ব্যাপারে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শিল্প পুলিশ -৫ ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার গোপীনাথ কাঞ্জিলাল জানান, সন্ধ্যা ৭ টায় শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করে। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতার জন্য তাদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। এবং শ্রমিকদের জুলাই মাসের বকেয়া বেতন ভাতা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর এবং আগষ্ট /২৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতা আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরিশোধের সিদ্ধান্ত শ্রমিকরা মেনে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়