টাঙ্গাইলের সখীপুরে একটি বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে দুই দিনে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার ও সোমবার (২৭ এপ্রিল) উপজেলার সখীপুর পৌর শহরসহ কালিয়া ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে অন্তত ৯ জন শিশু ও ১০ জন নারী রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরে কালিয়া ইউনিয়নের দেবলচালা গ্রাম থেকে কুকুরটি কামড়ানো শুরু করে সখীপুর পৌর শহরের দিকে ঢুকে পড়ে। এরপর আন্ধি ও উত্তরা মোড় এলাকায় ২০ জনকে কামড় দেয়। সোমবার সকালে কুকুরটি কালিয়া, ঘোনারচালা ও দামিয়া গ্রামে ঢুকে আরও বেশ কয়েকজনকে জখম করে।
আহতদের মধ্যে ৫৪ জন সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ (৬০) নামে একজনকে ঢাকার মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
কালিয়া ঘোনারচালা গ্রামের আহত খন্দকার হাবিবুর বলেন, নাতনিকে স্কুলে রেখে ফেরার পথে হঠাৎ কুকুরটি এসে কামড়ানো শুরু করে। আমার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে কুকুরটি তাদের ওপরও হামলা চালায়। একই গ্রামের মেহেরান বেগম জানান, দুই বছরের নাতনিকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিজেও কুকুরের কামড়ের শিকার হয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রনী বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। গ্রামবাসী উদ্যোগ নিয়ে খ্যাপা কুকুরটিকে মেরে ফেলা উচিত ছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, আহতদের মধ্যে আব্দুর রশিদকে ঢাকার মহাখালীর সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।