ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। তাঁর বিজয়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরণের আনন্দ মিছিল না করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চলেছেন।
তারই অংশ হিসাবে ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে নওহাটা এলাকার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা প্রাঙ্গনে মতবিনিময় সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর সদর উপজেলা শাখা।
সদর উপজেলা আমীর নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর-১ (সদর) আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।সভায় বক্তব্য দেন জেলা আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, সাবেক জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল বাতেন, জেলা মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারী রাশেদা হেলালী, উপজেলা সেক্রেটারী আব্দুস সোবহান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমাকে বিজয়ী করার ব্যাপারে ভোটাররা সবচেয়ে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, সেটি হলো শহীদ কামারুজ্জামানের হত্যাকান্ডকে কেউ মেনে নিতে পারেন নাই। হাজার হাজার না অধিকাংশ ভোটার শহীদ কামারুজ্জামানের ই্যসুটা সামনে এন দাঁড় করিয়েছেন। তাঁরা (ভোটাররা) বলেছেন, আমরা এই জুলুম নির্যাতনের অবসানের জন্য দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোটটা দিচ্ছি। সুতরাং আজকের এই নারী সমাবেশ থেকে শহীদ কামারুজ্জামানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদেরকে শপথ নিতে হবে। আমরা যেনো শহীদের রেখে যাওয়া কাজকে আঞ্জাম দিতে পারি, বাস্তবায়ন করতে পারি আল্লাহ যেনো আমাদের সেই তৌফিক দান করেন। তিনি আরো বলেন, আমি শুধুমাত্র ১ লাখ ২৭ হাজার ভোটারের সংসদ সদস্য না। আমার এলাকার সাড়ে ৪ লাখ ভোটারের সংসদ সদস্য হিসাবে আমি এবং আমার দলের লোকেরা সবাইকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমানভাবে দেখবো বলে অঙ্গীকার করছি।
তিনি বলেন, শেরপুর সদরের উন্নয়নে আমরা সকল প্রকার ঘুষ, দুর্নীতিকে ৯ লাখ হাত দিয়ে প্রতিহত করবো।